ভাড়ার রশিদ কেন দরকার
বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিবার ভাড়া পাওয়ার সাথে সাথে বাড়িওয়ালাকে স্বাক্ষরসহ রশিদ দিতে হবে এবং রশিদের মুড়ি রেখে দিতে হবে। রশিদ না দিলে ২৭ ধারায় প্রাপ্ত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের জানুয়ারি ২০২৬-এর নির্দেশিকাও প্রতি মাসে লিখিত রশিদ এবং ১০ তারিখের মধ্যে ভাড়া পরিশোধের কথা বলে।
রশিদ ভাড়াটিয়াকে প্রমাণ দেয় যে ভাড়া দেওয়া হয়েছে, আর বাড়িওয়ালাকে দেয় পরিষ্কার হিসাব, যা আয়কর রিটার্নেও কাজে লাগে।
রশিদে যা থাকা উচিত
- ক্রমিক রশিদ নম্বর ও তারিখ
- বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার নাম, বাসার ঠিকানা
- কোন মাসের ভাড়া, ভাড়া ও অন্যান্য চার্জ আলাদা করে
- মোট টাকা অঙ্কে ও কথায়
- পরিশোধের মাধ্যম (নগদ, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক) ও ট্রানজ্যাকশন আইডি
- উভয় পক্ষের স্বাক্ষর
প্রশ্ন ও উত্তর
ভাড়ার রশিদ দেওয়া কি বাধ্যতামূলক?
হ্যাঁ। বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি ভাড়া পরিশোধের জন্য বাড়িওয়ালাকে সঙ্গে সঙ্গে স্বাক্ষরসহ রশিদ দিতে হবে এবং মুড়ি রাখতে হবে। ২৭ ধারায় রশিদ না দিলে প্রাপ্ত টাকার দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানার বিধান আছে।
রশিদে কী কী থাকা উচিত?
রশিদ নম্বর, তারিখ, বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার নাম, বাসার ঠিকানা, কোন মাসের ভাড়া, টাকার পরিমাণ অঙ্কে ও কথায়, পরিশোধের মাধ্যম এবং স্বাক্ষর।
আমার তথ্য কি কোথাও জমা হয়?
না। আপনি যা লেখেন তা শুধু আপনার ব্রাউজারে থাকে, পরের মাসে সুবিধার জন্য। কোনো সার্ভারে পাঠানো হয় না।
একসাথে ১২ মাসের রশিদ বানানো যায়?
হ্যাঁ। "কত মাস" ঘরে সংখ্যা দিন, প্রতি মাসের জন্য আলাদা নম্বরসহ রশিদ তৈরি হবে।
আইনের সহজ সারসংক্ষেপ, আইনি পরামর্শ নয়।